তির্যকবিতা

Photo Collage

বিষবৃক্ষের ফুলের সুবাসে ভ্রমরী উদাসিনী হয়,
রূপজেল্লার ঝলকে মনে ফোসকা পড়লে তনে না সয়।
আমি দেখেছি কানা মৌমাছি মৌবনে ভনভন করে,
কোকিলার কু ডাকে কাটা গায়ে নুনের ছিটা পড়ে।

মাইল্লারপাল!

আমরা ব্রত করেছি,
সমাজকে সুশৃঙ্খল করার জন্য আমরা সাধনা করব আত্মত্যাগ।
আমাদের সাথে লাগালাগি করলে আমরা গলাগলি করব।
আমাদের কোমর ভাংতে চাইলে, এমন তাবিজ দেব, কোমর টেনে হাঁটতে হবে।
নিশ্চয় জানো, কামেলপিরের ফুঁ-তাবিজে এক শো ভাগ কাম করে।
আমাদেরকে ক্রসফায়ারে ফেলতে চাইলে গুণ করে বাণ মারব।
খামোখা আমাদেরকে জেলহাজতে নিলে তুকতাক শুরু করব।
আমাদেরকে বিষপান করাতে চাইলে পড়াপানি পান করাব।
নিজের লাভের জন্য বাতাস দুষিত করলে ঝাড়ফুঁক শুরু করব।
আমাদের দিকে রাহুদৃষ্টে তাকালে আমরা আত্মদৃষ্টে তাকাব।
আমাদের সাথে অবিচার কারলে আমরা অভিচার করব। জান তো!
জিন চালান করলে ঘুমখানি হারাম হয়ে যায়।
আমাদের ভাইরা আমাদের সাথে আছেন।
আমরা মুল্লা অথবা অবিদ্বান নয়।
বিশ্বের বুনিয়াদি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন ও অধ্যাপনা করে আমরা বিদ্বান হয়েছি।
আমাদেরকে বাজারে পাবে, পাবে মাজারে। আমরা এক আল্লাহ মানি।
এই সমাজে ভালো মানুষের ঠাই নেই।
প্রতিষ্ঠিত হতে হলে সুশীল হতে হয়।
জন্মাধিকার আদায় করে ঠিকে থাকার জন্য আমরা মাইল্লার পাল হয়েছি।
জানতো! মাইলে ধরলে জানের কাম সারা হয়।

দেশ”

বাংলা এবং দেশ! দুইটা শব্দের জন্য জানবাজি ধরা হয়েছিল।
রক্তে জল রক্তাক্ত হয়েছিল। ৫২ এবং ৭১ রে। কিন্তু বাংলা এবং দেশ এখন অসহায়।
আহ! কষ্ট হয়। কষ্টে অন্তর ক্লিষ্ট হয়। কিন্তু কিছুই করার নেই।
বাংলা এবং দেশ শব্দ এখন আর কেউ ভালোবাসে না।

Writing never stops!

কোন একদিন কলমি লতাও থেমে যায়,
আর বাড়তে পারেনা,
গোলাপও একদিন শুকিয়ে ঝরে পড়ে,
কবির আয়ূ ফুরিয়ে লেখা থামলেও,
পাঠকের  মনের সাথে কবিতা কথা কয়।
কলমের কালি শেষ হয় কিন্তু লেখা শেষ হয়না,
কারণ কালি শেষ হলে নতুন কালি ভরতে হয়।
লেখা শুরু করলে থামা যায়না,
কারণ লেখা দুঃখ বিরহকে করেছে জয়।

 

লেখালেখি কখনো থামে না।

ধাধসপুরে বারবেলা

ধাধসপুরে বারবেলা

ইবুকের জন্য নিচে ক্লিক করুন

ধাধসপুরে বারবেলা

প্রচ্ছদ